Easy Earn Money

Showing posts with label Freelancing. Show all posts
Showing posts with label Freelancing. Show all posts

Wednesday, April 5, 2017

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা।


এ ধারণাটি সমাজে অনেক বেশি প্রচলিত। পড়ালেখা কিংবা কোনো কিছুতেই কিছু করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। কোনো কিছু করার ব্যাপারে খুবই অলস, এ অলসতার কারণেই নিজের ক্যারিয়ার সাজাতে পারছেন না। এরকম মানুষজনের ভাবনাতেও থাকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়ার চিন্তা। অনেক সময় এ চিন্তাটা আরও ভয়াবহ হয়। তারা ভেবে থাকে, কোনো কিছুই আমাকে দিয়ে হবে না। ফ্রিল্যান্সিংটা তো আছেই, সেটা দিয়েই অনেক টাকা আয় করব।
আসল সত্য : ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে অযোগ্যদের জায়গা নেই। যতবেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন, অনলাইনে আপনার আয় তত বৃদ্ধি পাবে। যোগ্যতা ছাড়া হয়তো পাঁচ-দশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু সেটি অবশ্যই সাময়িক আয়। ফ্রিল্যান্সিং যখন করবেন, স্বপ্নটা পাঁচ-দশ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাটা বোকামি।

২) ফ্রিল্যান্সিং মানেই আপওয়ার্কে (পুরনো নাম : ওডেস্ক) কাজ করা :


আমাদের দেশের একটা ধারণা প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে, অনলাইনে আয় করতে হলে আপওয়ার্কেই বিড করে কাজ জোগাড় করতে হবে। আর যখন কাজ না পায়, তখন হতাশ হয়ে কাজ ছেড়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে আপওয়ার্কে কাজ পেতে ব্যর্থ হয়ে কাজ পাওয়ার জন্য স্পামিং করছে, কাজের রেট কমিয়ে বিড করছে। যার কারণে আমাদের দেশের ব্যাপারে বিদেশী ক্রেতাদের কাছে একটা বাজে অবস্থান তৈরি হচ্ছে।

আসল সত্য : পৃথিবীতে যত কাজ আউটসোর্স হচ্ছে, তার মধ্যে মাত্র ৭ শতাংশ কাজ মার্কেট প্লেসগুলোতে পাওয়া যায়। মার্কেট প্লেস ছাড়াও আর কীভাবে কাজ পাওয়া যায়, সেটি জানার জন্য সব পর্বে চোখ রাখুন। সে বিষয়ে এ ধারাবাহিকের কোনো একটা পর্বে আলোচনা করা হবে।

৩) ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য খুব বেশি যোগ্যতার দরকার নেই :


ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অনেকের ভাবনাতে থাকে, পত্রিকাতে অল্প কিছু পড়লাম, কিংবা সেমিনারে গিয়ে কিছু বিষয় জানা হয়েছে, এখন চাইলেই শুরু করে দেয়া যাবে ফ্রিল্যান্সিং। ১ মাস-দুই মাসের প্রস্তুতিতেই অনেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখে। আবার প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিন ৪-৫ ঘণ্টা সময় দেয়াটোকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না। কম পরিশ্রমেই অনলাইন সেক্টরের স্বপ্নটা একসময় খুব বড় হতাশা সৃষ্টি করে এবং সেই সঙ্গে অনলাইন জগৎ সম্পর্কে বাজে একটি ধারণা তার মনে তৈরি হয়।

আসল সত্য : ফ্রিল্যান্সিং জায়গাটা শুধু যোগ্যদের জন্য। কারণ কোনো ক্রেতা তার কাজ করানোর জন্য সারা বিশ্বের অনেকজন ফ্রিল্যান্সার মধ্য থেকে সেরা কাউকে বাছাই করে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। সুতরাং যাদের যোগ্যতা কম তাদের তখন কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনাটা থাকে। শুরুতে প্রচুর সময় এবং পরিশ্রম করে নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তারপর ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজের চেষ্টা করা উচিত।

৪) ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অসাধারণ গুণের অধিকারী হতে হয় :
যারা অনলাইনে আয় করছেন তাদের মতো আমার যোগ্যতা নেই। সে জায়গায় আমার পক্ষে পৌঁছানো সম্ভব নয়, এ ধারণা থেকে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন।

আসল সত্য : মাথাতে রাখা উচিত, যারা এ মুহূর্তে সফলভাবে অনলাইনে আয় করছেন, তারা এক সময় খুবই সাধারণ ছিলেন। পরিশ্রম এবং প্রশিক্ষণ তাদের আজকের এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। যে কেউ যদি কাজ শিখে নেয় এবং প্রচুর পরিম্রম করে, তাহলে যে কেউ অনলাইনে সফল হতে পারে।

৫) ফ্রিল্যান্সিং পার্টটাইম চাকরি, ফুলটাইম নয় :


এখনও আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা নতুন দেখে বেশিরভাগই ফ্রিল্যান্সিংটাকে চাকরির বিকল্প ভাবতে পারছে না। চাকরি কিংবা পড়ালেখার পাশাপাশি পার্টটাইম হিসেবেই ফ্রিল্যান্সিংকে এখনও সবাই ভাবছে। আর সেজন্য ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশে যে পরিমাণ আয় করা সম্ভব, সেটি বাস্তব হচ্ছে না।
আসল সত্য : ফ্রিল্যান্সিং শুধু অতিরিক্ত টাকা আয়ের মাধ্যম নয়। এটিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেয়া সম্ভব। কারণ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মূলত উন্নত দেশের কোনো কোম্পানির হয়ে কাজ করা হচ্ছে। অনেকেই আবার এখানে বসে অন্য কোম্পানির নিয়মিত কর্মচারী হিসেবে এ দেশে বসে চাকরিও করছে।

৬) চাকরিতে মাস শেষে নিশ্চিত টাকা, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে অনিশ্চিত :


ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে চাকরির বেতনের ৫-১০ গুণ আয় হওয়ার পরও এ দেশের পরিবারগুলো থেকে ফ্রিল্যান্সিং করতে বাধা দেয়া হয়। কারণ চাকরির ক্ষেত্রে কম টাকা হলেও মাস শেষে নিশ্চিতভাবে হাতে টাকা আসবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে সাময়িক আয়, একসময় সে আয় বন্ধ হয়ে যেতে পারে এ ধারণাটি এখনও অনেকের মধ্যেই আছে। আবার সব মাসেই আয় হবে কিনা সেটি নিয়েও সন্দেহটা রয়েই যায়।

আসল সত্য : ধরি, কেউ একজন মার্কেটিংয়ের কাজ করে অনলাইনে আয় করে। তাহলে তার এক সময় কোনো কাজ থাকবে না, সেটার মানে দাঁড়ায়, পৃথিবীতে আর কোনো প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিংয়ের প্রয়োজন নেই। সেটি যদি হয়ে থাকে, তাহলেতো দেশের ভিতরেও যারা মার্কেটিংয়ের চাকুরি করে, তারাও বেকার হয়ে পড়বে। কোনো সেক্টর হিসেব করলে লোকাল পর্যায়ে যদি চাকরির সুযোগ থাকে ১০০ প্রতিষ্ঠানে, তাহলে অনলাইনে চাকরির সুযোগটা থাকবে ১ লাখ প্রতিষ্ঠানে। কারণ অনলাইনে সারা বিশ্বের সব প্রতিষ্ঠানেই আপনার চাকরি করার সুযোগ থাকছে

৭) বিদেশীদের মতো ইংরেজি না জানলে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যাবে না :


অনেকে কাজের ক্ষেত্রে ভালো দক্ষতা থাকার পরও ইংরেজিতে দুর্বল হওয়ার কারণে অনলাইনে আয়ের চিন্তা সম্পূর্ণরূপে মাথা থেকে বাদ দিয়ে দেয়।
আসল সত্য : অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতাটাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় বায়াররা। তবে বায়ার কাজ বুঝিয়ে দেয়ার সময় যদি দেখে ফ্রিল্যান্সারটি ভাষার দুর্বলতার কারণে কাজ সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারছে না, কিংবা ফ্রিল্যান্সার বায়ারকে কাজ বুঝিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে তার ভাষা বুঝতে বায়ারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়, তখন বায়ার কিছুটা বিরক্তবোধ করে। সে ক্ষেত্রে কাজে দক্ষ থাকলে অনেক সময় বায়ার তার ভাষার দুর্বলতাকে কনসিডার করে। তবে এ ক্ষেত্রে যে ইংরেজিতে দক্ষ এমন কাউকে সঙ্গী করে একসঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং করা যেতে পারে।
৮) পড়ালেখা না জেনেও ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে :


ফ্রিল্যান্সিংয়ের জোয়ারের কারণে অনেকের ধারণা অ্যাকাডেমিকভাবে শিক্ষিত না হয়েও শুধু বিভিন্ন আইটিবিষয়ক বিষয়ে ট্রেনিং নিয়েই ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে। আর সে জন্য পড়ালেখাকে সম্পন্ন করার আগগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

আসল সত্য : সবকিছুর জন্যই পড়ালেখার দরকার আছে। শিক্ষিত ব্যক্তি জ্ঞানের পরিধি একজন অশিক্ষিত ব্যক্তির চেয়ে অবশ্যই অনেক বেশি উন্নত হবে। যদিও শুধু চাকরি করার জন্য পড়ালেখা করতে হয়, এরকম একটি ভুল ধারণা আমাদের দেশে প্রচলিত রয়েছে।

৯) ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ৭ দিন কিংবা ১ মাসের প্রস্তুতি যথেষ্ট :


অনেকেই কম্পিউটার কিনেই চিন্তা শুরু করে কিছুদিনের মধ্যেই অনলাইনে আয় শুরু করতে পারবে। ফ্রিল্যান্সিংবিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার কিংবা পত্রপত্রিকা এবং ব্লগ থেকে এ সম্পর্ক লেখা পড়েই অতি স্বল্প সময়ে অনলাইনে আয় শুরু করব।

আসল সত্য : ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য যে বিষয়টিকে আপনি বেছি নিয়েছেন, সেটিতে খুব ভালোভাবে দক্ষ হওয়া ছাড়া কাজ করে প্রচুর পরিমাণে আয় করার সম্ভাবনাটা কম থাকে। আর খুব ভালোভাবে দক্ষ হওয়ার জন্য অবশ্যই ট্রেনিং নেয়ার পাশাপাশি সেটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকটিস করার জন্য সময় দেয়া দরকার। অভিজ্ঞরা বলেন, মাসে ২০ হাজার টাকার চাকরির জন্য যদি ২০ বছরের মতো সময় স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে ব্যয় করতে হয়, তাহলে অনলাইনে ৭০ হাজার-১ লাখ টাকা আয় করার জন্য তো কমপক্ষে ৩ মাস-১ বছর সময় ব্যয় করার মতো ধৈর্য থাকাটা উচিত।

১০) ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নিজের পেপাল অ্যাকাউন্ট লাগবে :


অনেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শিখার শুরুতেই টেনশনে পড়ে যায়, পেপাল তো নেই তার। অনলাইনে আয় শুরু করলে কীভাবে সে টাকা বাংলাদেশে নিয়ে আসবে। খরচ করে কাজ শিখব, পরে কষ্ট করে কাজ করে আয় করার পর যদি সেই টাকা পেপাল না থাকার কারণে নিজের কাছে আনতে না পারে, তাহলে তো শুরুতেই থেমে যাওয়া উচিত, এরকম ভাবনাও অনেকের মধ্যে কাজ করে।
আসল সত্য : কাজ করার পর ডলার গ্রহণ করতে কেউ এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়নি। এমনকি আমাদের দেশের অনেকেই আছে, যারা এখনও এসএসসি পাস করেনি, যাদের এখনও বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকেই অ্যাকাউন্ট খোলার বয়স হয়নি। তারাও অনলাইনে আয় করে সেই ডলার রিসিভও করছে। তবে এটা ঠিক পেপাল সুবিধা না থাকার কারণে ডলার দেশে নিয়ে আসাটা অনেক ক্ষেত্রে একটু ঝামেলাপূর্ণ হচ্ছে। তবে ঝামেলাপূর্ণ হলেও কোনো না কোনোভাবেই গ্রহণ করা যাচ্ছে।

১১) ট্রেনিং সেন্টারে কোর্স না করলে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় না :
অনেকের আফসোস দেখেছি, তারা টাকার অভাবে ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারছে না দেখে ফ্রিল্যান্সার হতে পারছে না বলে আফসোস করে। ধারণা তৈরি হয়ে গেছে ট্রেনিং সেন্টারে না গেলে অনলাইন হতে আয় করা সম্ভব নয়।

আসল সত্য : অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে, ইউটিউবে এখন প্রচুর রিসোর্স আছে যা দেখে চাইলে ঘরে বসেই খুব ভালোভাবেই সব কিছু শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। বর্তমানে বাংলাতেই অনেক ভালো রিসোর্স পাওয়া যায়, যা কাজ শুরু করার জন্য যথেষ্ট। তবে এটা সত্য নিজে নিজে রিসোর্স পড়ে শিখতে গেলে পরিশ্রম এবং সময় বেশি লাগে।

১২) সায়েন্সের স্টুডেন্ট না হলে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় না :

অনেক সময় কমার্সের স্টুডেন্ট কিংবা মানবিক বিভাগের স্টুডেন্টরা মনে ধারণা পোষণ করে, তারা অনলাইন হতে আয় সম্ভব নয়। যেহেতু কাজটি কম্পিউটারে বসে করতে হয়, তাই শুধু কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্টরাই কাজটি করতে পারবে, এরকম ভুল ধারণাও সমাজে প্রচলিত আছে।

আসল সত্য : অনলাইনে ক্যারিয়ারের সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। মানবিক কিংবা বাণিজ্য কিংবা সায়েন্স যে কোনো বিভাগের যে কেউ অনলাইনে কাজের দক্ষতা অর্জন করে সেগুলোর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে পারে।

মার্কেটপ্লেসে কেন কাজ পাচ্ছেননা? আসলেই কি আপনি কাজ পাওয়ার যোগ্য?

আমার কাছে প্রায়ই ফেসবুকে  অনেকে প্রশ্ন করেন, উনি ওয়েবডিজাইন কিংবা গ্রাফিকস ডিজাইনের  কিংবা এসইও সম্পর্কিত কাজ জানেন। উনি ওডেস্কে কিংবা কাজ করতে আগ্রহী। অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছেন। কোন কাজই পাচ্ছেননা, যদিও ওনার প্রোফাইল ১০০% করা আছে।

- যাদের কাছ থেকে আমি এ প্রশ্নটি পাই, তাদের মধ্যে যারা ওয়েবডিজাইনের কাজ জানেনে বলে দাবি করেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন থাকে. আপনার করা কোন ওয়েবসাইট অনলাইনে লাইভ আছে কিনা?  ৯৯% এর কাছ থেকে উত্তর পাই, কোন ওয়েবসাইট লাইভ নাই। যদি থাকেও সেটি ড্রপ বক্সের মাধ্যমে লাইভ করা।
মনে প্রশ্ন জাগেঃ উনার দাবি, উনি কাজ জানেন। যার কোন কাজ লাইভ নাই, সে কাজ জানে, এটা কিভাবে বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে।
- যারা গ্রাফিকস ডিজাইনে কাজ জানেন বলে দাবি করেন, তাদের কোন প্রফেশনাল কাজ দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করি। তখন তাদের অনেকেই ব্রাশ টুল দিয়ে হয়ত কোন কাজ করেছেন, সেটি হয়ত আমাকে দেখাতে পারেন।  ক্লায়েন্ট রিকোয়রমেন্ট অনুযায়ি করা, তাদের কোন কাজ দেখাতে পারেনা।
মনে প্রশ্ন জাগেঃ উনিও দাবি করেন, উনি গ্রাফিকস ভাল কাজ জানেন। শুধু গ্রাফিকসের সফটওয়্যার কিংবা এ সম্পর্কিত বিভিন্ন টুলস ব্যবহার জানলেই কি আসলে গ্রাফিকস ডিজাইন জানা যায়, বলতে পারবেন? বিষয়টি কি আসলেই এত সহজ?
- এসইও জানেন অনেক দিন ধরে, কোন জায়গা হতে কোর্সও সম্পন্ন করেছেন। এরকম অনেকে দাবি করেন, তিনি এসইও সম্পর্কিত যে কোন কাজ দিলে করতে পারবেন। উনি চান মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ শুরু করতে। কাজ খোজার চেষ্টাও শুরু করেছেন। কিন্তু কাজ পাচ্ছেননা। তারা কোন সাইটের জন্য কাজ করেছে, এমন কোন সাইটের বিষয়ে রিপোর্ট জানতে চাই। তারা কোন সাইটের নাম বলতে পারেনা, তারপরও তাদের দাবি, তারা অনেক ভাল এসইও জানে, এ সম্পর্কিত কাজ তারা খুব সহজে করতে পারবে।
মনে প্রশ্ন জাগেঃ এসইও  কি এতই সহজ কোন কাজ? যে জীবনে কোন কাজ করেনি, তাকে মানুষ কাজ দেওয়ার সাহস করবে কিংবা করা উচিত? বলতে চাচ্ছি, যার জীবনে এ সম্পর্কিত কোন কাজ করার অভিজ্ঞতা নাই, তাকে এ ধরনের কাজ দিলেই কি সে করতে পারবে? এ রিস্ক কি নেওয়া যায়?
এবারে আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্নঃ উপরের বিষয়গুলোতে আমার মনে যা প্রশ্ন জাগে, তাতো শেয়ার করলাম। এবার আপনাদের নিজের বিবেকের কাছে কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিতে চাই। আপনার বাসাতে যদি কোন টিউটোর রাখতে চান, সেখানেই আপনি খোজ করেন, তার আগে কোথাও টিউশানী করার অভ্যাস আছে কিনা। কিংবা কোথাও কোর্স করতে গেলে, কিংবা কোথাও ভর্তি হতে গেলে, তাদের অতীত সফলতার হার জানতে চান। যারা নতুন তাদের কাছে নিজের ঘরের মানুষকে পড়াইতে চান না, কিংবা নতুন কোন প্রতিষ্ঠানে আপনি ভর্তি হওয়ার মত রিস্ক নিতে ভয় পান।  সেখানে ওয়েবডিজাইনের মত কঠিন কাজ,  গ্রাফিকস ডিজাইনের মত ক্রিয়েটিভ কাজ কিংবা এসইওর মত চ্যালেঞ্জিং কাজ, সেই কাজের আপনার কোন অতীত অভিজ্ঞতা না থাকা স্বত্ত্বেও কেউ আপনাকে কাজ দিবে, এধরণের ভাবনা কিভাবে আছে? একটু বেশি আশা করা হয়ে যাচ্ছেনা। কিংবা ধরি আপনি কাজ পেয়েও গেলেন। আপনার কোন অভিজ্ঞতা নাই, আপনি সেই কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন, এইটুকু সাহস কিভাবে করেন?
graphic-design

সবার জন্য আমার কিছু পরামর্শঃ

ওয়েবডিজাইনারদের জন্যঃ শুরুতে আপনার জ্ঞান দিয়ে কমপক্ষে ৫টা ওয়েবসাইট বানান। শুধু মেনু বসালেই কিংবা কিছু ছবি বসিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলার দরকার নাই। ৫টা ওয়েবসাইটেই যাতে জটিল কোন কাজ থাকে।  এবার সেগুলোকে লাইভ করুন। ড্রপবক্সের মাধ্যমেও লাইভ করতে পারেন। তবে অবশ্যই কমপক্ষে একটা ওয়েবসাইট  ডোমেইনে  লাইভ করুন কিংবা কোন ক্লায়েন্টের কাজ হলেতো আরও ভাল। সেই ক্লায়েন্টের রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি কাজ করে সেটি ক্লায়েন্টের ডোমেইনে লাইভ করুন। ক্লায়েন্টের কাজ না পেলে আমাকে নক করুন। আমি ডেমো ক্লায়েন্ট হতে রাজি।  আমার পার্সোনাললি অনেক ডোমেইন-হোস্টিং আছে। সেগুলোর জন্য আমার রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি ওয়েবসাইট বানিয়ে আপনার নিজের নাম দিয়ে লাইভ করতে পারেন। তারপর এবার আপনি মার্কেটপ্লেসগুলোতে এ কাজের উদাহরন সহকারে বিড করুন। এবার কাজ পাওয়ার আপনার সম্ভবনা আছে।
গ্রাফিকস ডিজাইনাদের জন্যঃ বড় কোন ডিজাইন করুন, যাতে বোঝা যায়, আসলেই আপনি কোন কাজ জানেন। কোন ক্লায়েন্ট রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি কমপক্ষে ১০টি লোগো ডিজাইন, ৫টি ওয়েবটেমপ্লেট ডিজাইন, ৫টি ব্রুশিয়ার ডিজাইন, এবং ৫টি ফ্লাইয়ার ডিজাইন করুন। ক্লায়েন্ট পাবেন কোথায়? 99designs.com  এ গিয়ে এ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহন করুন। সেখানে ক্লায়েন্ট রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি কাজ জমা দিন। আপনার ডিজাইনের ব্যপারে অন্যের ফিডব্যাক দেখুন। ভাল ফিডব্যাক পাওয়া ডিজাইনগুলো নিয়ে  মার্কেটপ্লেসের পোর্টফলিওতে স্টোর করুন। এবার কাজের জন্য বিড করুন, আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।  এবং কোন বায়ার আপনাকে কাজ দিলে, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য এখন আপনি প্রস্তুত।
এসইও সম্পর্কিত কাজের জন্যঃ নিজে কোন একটি ব্লগ তৈরি করুন। ডোমেইন, হোস্টিং কিনেও করতে পারেন কিংবা ওয়েব২.০ সাইটে ফ্রি ব্লগ তৈরি হলেও সমস্যা নাই। এবার এ ব্লগটিকেই এসইও করে গুগলের সার্চ রেজাল্টের টপে নিয়ে আসেন। ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসেন। যদি এ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, তাহলে এটির ফলাফল এবং কিকি করেছেন এ ফলাফলের জন্য, সেটি কোন বায়ারকে প্রদর্শন করে কাজের জন্য আবেদন করেন। এবার আপনাকে বায়ার কাজ দিতে সাহস পাবে। আপনিও কাজ পেলে সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন।

Sunday, September 4, 2016

অনলাইন মার্কেটে শুধু বিড করে যাচ্ছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না? তাহলে এদিকে আসেন, দেখি সমস্যা কোথায়! বদলে ফেলুন নিজেকে


আমরা অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখেছি। অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোর্স করে কাজ শিখেছি আবার অনেকে বিভিন্ন বাংলা টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমেও কাজ শিখেছি। কিন্তু যারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ফ্রীল্যান্সিং বা অনলাইনে কাজ করার জন্য কাজ শিখে থাকেন তাদের মধ্যে অনেককেই বলতে শুনা যায় যে, আমি তো খালি বিডই করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ তো পাচ্ছি না।   আবার একই জায়গা থেকে কাজ শিখে কেউ কেউ ১-২ সপ্তাহের মধ্যেই কাজ পেয়ে যান। আবার নতুনদের মধ্যে অনেকেই কাজ না পেয়ে হতাশ হয়ে বলে থাকেন, এখন আর নতুনরা নাকি কাজ পায় না।

কিন্তু বাস্তবতাটা কি?


নতুনদের মধ্যে কাজ না পাওয়ার হতাশা যতখানি রয়েছে তার থেকে কয়েক গুন বেশি হতাশা দেখা যায় ক্লাইন্টদের মধ্যে। আপনি কাজ না পেয়ে যতটা না বেশি হতাশ তার থেকে অনেক গুণ বেশি হতাশ এই মার্কেটপ্লেস গুলোর ক্লাইন্ট, কারন তারা দক্ষ কর্মী খুজে পায় না। কথাটা হয়ত আজব মনে হবে কিন্তু এটাই বাস্তবতা এবং এর সাক্ষী আমি নিজে। এই কিছুদিন আগেই একটা একটু ব্যতিক্রমধর্মী এক কাজের জন্য ওয়ার্কার খুজতে গিয়ে আমি ৩ বার ফ্রীল্যান্সার.কম এ জব টিউন করি, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ১ জন উপযুক্ত লোক ও খুজে পাই নি কাজের জন্য। তাহলে এখন আপনি কিভাবে বলবেন যে, মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়া যায় না?

তাহলে কি করব?


প্রথেমেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কতটুকু শিখেছেন? কত দিন ধরে চেস্টা করেছেন? একটু ভাবুন তো, বাস্তব জীবনে ২০-২৫ হাজার টাকার একটা চাকরী করার জন্য আমরা ২০-৩০ বছর বইয়ের বোঝা বহন করে দিন রাত পরিশ্রম করেও শেষমেশ ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তায় ভূগি, আর তাহলে ইন্টারনেট থেকে মাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আর করার জন্য আপনি কি ৬ মাস কস্ট করতে প্রস্তুত নন? এখন আবার অনেকেই হাসবেন, যে, মাত্র ৬ মাসে ৫০ হাজার টাকা মাসে আয় করব? এইটা কি ছেলে খেলা নাকি, কিন্তু এটাই সত্য। আপনি যদি ৬ মাস ভাল করে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে অবশ্যই ৬ মাস পরে আপনি মাসে ৫০ হাজার+ আয় করতে পারবেন। তাহলে এবার ভাবুন, আপনি কি নিজেকে ওই রকম দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছেন?



আপনাদের কিছু মানসিকতা এবং আমাদের কিছু অভিজ্ঞতাঃ


অনলাইনে লিখালিখি, আইটি বাড়ি ইত্যাদির বদৌলতে আপনাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে বেশ কিছু অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের। সেখান থেকেই কিছু অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম।



আমাদের মধ্যে সবচাইতে বেশি যে প্রবণতাটি দেখা যায় সেটি হচ্ছে, অল্প শিখে বেশি আয় করার চিন্তা। আমাদের যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদের মধ্যে অধিকাংশই আমাদের থেকে টিউটোরিয়াল ডিভিডি কেনার পরে ৫-১০ দিনের মধ্যে আমাদের সম্পূর্ণ ডিভিডি টি দেখে শেষ করে ফেলে এবং ডিভিডি দেখা শেষ হলেই তারা মনে করে থাকে যে, কাজ শিখে ফেলেছি, এবার শুধু বিড করব আর কাজ করব এবং মাস শেষে হাজার হাজার ডলার গুনব। কিন্তু অবশেষে ফল হয় শূন্য। না জানার কারনে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে কাজই পায় না। আর তখন, সকল দোষ হয় আমাদের,তখন তারা বলে থাকে, আমাদের ডিভিডি দেখে কিছুই শিখতে পারে নাই, অনলাইনে কাজ করা যায় না, এখানে কাজ পাওয়া যায় না, এটা ভূয়া এই ধরনের আরও অনেক কিছু। তবে আমাদের যারা ফ্রীল্যান্সিং শিখিয়ে থাকি তাদের জন্য এটা সান্তনার যে, এটা শুধু আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, দেশের সকল ফ্রীল্যান্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কপালেই এই ধরনের অপবাদ জোটে।



নতুনদের মধ্যে থাকা আরও একটু ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে,কোন সমস্যা হলে সেটার উত্তর নিজে নিজে না খোজার চেস্টা করা। আমাদের একটি সহজ অভ্যাস রয়েছে, যেখানে আমরা দুর্বল পাই, সেখানেই আঘাত করতে পছন্দ করি। কোন একজন ভাল শিক্ষক পেয়েছি কিনা, কোন ছোট খাট সমস্যা হলেও তার কাছেই জিজ্ঞেস করি। কারন, তিনি তো হেল্প করেন। কিন্তু এমনটা করার কারনেই আমরা কিছু শিখতে পারি না। নিজের সমস্যার সমাধান যদি নিজে বের করার মানসিকতা তৈরি না হয় তাহলে কোন দিনই উপরে উঠা সম্ভব নয়। আর কারন শরণাপন্ন কেবল তখনি হবেন যখন আপনি আপনার সমস্যার সমাধান অনেক চেস্টার পরেও পাবেন না। গুগলকে ব্যবহার করতে শিখুন সমস্যা সমাধানের জন্য, দেখবেন জীবন বদলে যাবে।



এইগুলা গেল অনেক বেসিক লেভেল, এইবার চলুন দেখি যারা বিড করে যাচ্ছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না কেন?


ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ঢোকার আগে প্রথম শর্ত হচ্ছে, আপনাকে দক্ষ হতে হবে। আপনি যে সেক্টরেই কাজ করুন না কেন, সেই সেক্টরে মিনিমাম ৫ টি সফল প্রোজেক্ট সম্পন্ন করেই তবে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে কাজ করার চিন্তা করবেন। এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন, নতুন অবস্থায় ৫ টি প্রজেক্ট করার জন্য কাজ পাব কোথায়? এটার ও ব্যবস্থা আছে, আপনি লোকাল কারও কাজ করুন, অথবা নিজে নিজেই কয়েকটি প্রোজেক্ট বানিয়ে সেটাতে কাজ করুন। যেমন ধরুন- আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখবেন, তাহলে আগে ৫টি ওয়েব সাইট তৈরি করুন, কারন এই ৫ টি প্রোজেক্ট আপনাকে মার্কেটপ্লেসে কাজ পেতে সাহায্য করবে।



এবার আসা যাক বিড কিভাবে করবেন সেটার উপর?


মার্কেট প্লেসে কাজ পাওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে একটু সাজানো গোছানো ছোট্ট এবং চমৎকার কভার লেটার। কারন, আপনি যখন কোন কাজে বিড করবেন তখন ক্লাইন্ট সর্বপ্রথম আপনার বিডের কভার লেটার টাই দেখবেন। আর তাই কভার লেটার হওয়া উচিত মান সম্মত। এখন, এখানেও আমাদের সমস্যা আছে। আমাকে এই পর্যন্ত অনেকেই ইমেইল এবং ফেসবুকে মেসেজ পাঠিয়েছেন, কভার লেটার এর নমুনার জন্য। কিন্তু ভাই, আমি আপনাকে বলছি, এই ধরনের মুখস্থ কভার লেটার লিখে কাজ পাবেন না। সেই দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। কভার লেটার অবশ্যই নিজের হাতে লিখবেন এবং কভার লেটারে শুধু তাই লিখবেন যেটা ক্লাইন্ট জানতে চেয়েছেন। কারন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্লাইন্ট তার কাজের সাথে কোন প্রশ্ন যুক্ত করে দেয়, যেমন-

  1. What part of this project most appeal to you?

  1. What question do you have about the project?

  1. What three things do you plan to implement to make the company’s marketing strategy effective?



এই ধরনের প্রশ্ন দেখে অনেকেই ঘাবড়ে যান, ভেবেই পান না কি লিখবেন এর উত্তরে? কিন্তু আপনি কি জানেন, কাজ পাওয়ার জন্য এই প্রশ্ন গুলোই সবচাইতে বড় সহায়ক, এগুলোই হচ্ছে লক্ষভেদের উপায়? এই গুলোর উত্তর যদি সঠিকভাবে দিতে পারেন তাহলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৫% বেড়ে যায়। কারন এই প্রশ্ন গুলোর মাধ্যমে আপনি ক্লাইন্টকে ওই প্রজেক্ট সম্পর্কে আপনার পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন। আর হ্যা, অবশ্যই অবশ্যই কভার লেটার এবং প্রশ্ন গুলোর উত্তর এমনভাবে দেয়ার চেস্টা করবেন যাতে করে ক্লাইন্ট সেটাতে ইন্টারেস্ট ফিল করে, ক্লাইন্টের মনে যেন এমন ভাবনা আসে যে হ্যা, আপনি কিছু জানেন। আপনাকে দিয়ে কাজটা হবে। যদি ক্লাইন্টের মনে এমন ভাবনা জাগাতে পারেন তাহলেই আপনি সার্থক। সব সময় মাথায় রাখবেন, এমন কাজে বিড করবেন না যেটা আপনি পারেন না, শুধুমাত্র সেই কাজ গুলোতেই বিড করবেন যেটা আপনি পারবেন এবং আপনি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী। আর ক্লাইন্টের সাথে সব সময় ওপেন ভাবে কথা বলুন, এত স্যার স্যার করার কিছুই নেই, এখানে আপনার আর ক্লাইন্টের সম্পর্ক হচ্ছে টাকার সম্পর্ক, সেখানে এত স্যার বলে ডাকার কিছু নেই, আপনি কাজ পারেন ব্যাস করে দিবেন। তাই ক্ল্যাইন্টের সাথে ফ্রেন্ডলী এবং ভাল সম্পর্ক স্থাপনের চেস্টা করুন। শুরুতেই ক্লাইন্টকে বোঝানোর চেস্টা করুন আপনিই তার কাজের জন্য পারফেক্ট এবং আপনি ক্লাইন্টের কাজ সঠিক সময় করে দিতে পারবেন।



আরও একটি সমস্যাঃ


আমাদের আরও একটি সমস্যা হচ্ছে, ধৈর্য্য না থাকা। আমরা মনে করি ২-৩ টা বিড করেই কাজ পেয়ে যাব। কিন্তু আপনি কি নিজেকে একবার জিজ্ঞেস করে দেখেছেন, ক্লাইন্ট যে আপনাকে কাজটি দিবে তার জন্য আপনি নিজে কতটা পারফেক্ট? আমাকে কিছুদিন আগেই এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছি, ভাইয়া আমি ১ মাস ধরে বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি কাজ শিখেছেন? উনি বলল, আমি আপনার এসইও ডিভিডি দেখে কাজ শিখেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি প্র্যাক্টিস করেছেন? তিনি বললেন হ্যা করেছি। আমি বললাম কোন ওয়েবসাইটে প্র্যাক্টিস করেছেন? তিনি বলল, আপনার ভিডিও তো দেখেছি, সেখানের সব ই তো সোজা, আমি সব বুঝেছি, আর ক্লাইন্ট কে দেখানোর জন্য আপনি তো কিছু ওয়ার্কপ্রুফ তৈরি করে দেখিয়েছেন ই, ক্লাইন্ট চাইলে সেটা দিয়ে দিব।



এবার বুঝুন, টিউটোরিয়াল দেখে সব বুঝেছেন আর তাই তিনি প্র্যাক্টিস ও করেন নাই, এমনকি ক্লাইন্ট আগের কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে আমাদের এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল এ যে কাজের নমুনা আছে সেটা দিয়ে দিবেন, এমন অবস্থায় উনি নিজেকে ভাবছেন উনি এসইও শিখে গেছেন এবং কাজ করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করবেন? আপনার কি মনে হয়, ক্লাইন্টরা এতই কি বোকা?



আমাদের আরও কিছু সমস্যাঃ


আমাদের আরও সমস্যা হচ্ছে, শোনা কথায় বিশ্বাস করা কিন্তু নিজে যাচাই না করা। আমরা যার মুখ থেকে যেটা শুনি সেটাই বিশ্বাস করি, কেউ হয়ত বলল যে অনলাইনে অমুক কাজ বিড করলেই পাওয়া যায়, তমুক কাজের ভাত নেই, তমুক কাজ বন্ধ হয়ে গেছে, এই ধরনের আজে বাজে কথায় আমরা সহজেই বিশ্বাস করি কিন্তু বাস্তবতা যাচাই করি না। এর প্রধান কারন হচ্ছে, আমরা কস্ট করতে পছন্দ করি না, লোকের মুখ থেকে শোনা বিভিন্ন কথার মধ্যে যেটা সবচাইতে সহজ এবং সহজে টাকা কামানো যাবে আমরা সেটাই করতে পছন্দ করি। কিন্তু মনে রাখবেন, সহজ বলতে কোন কথা নেই, আবার কঠিন বলতেও কোন কথা নেই, একটাই কথা- সেটা হচ্ছে পরিশ্রম। পরিশ্রম ছাড়া আপনার বা আমার চেহারাখানি যতই সুন্দর হোক না কেন, কেউ এক টাকাও দিয়ে যাবে না।



আশা করি আজকের কথা গুলো কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন। সব কথা বড় কথা, দুই একবার চেস্টা করে ব্যর্থ হয়ে গেলেন মানে এই নয় যে আপনি পারবেন না। যদি পরিশ্রম করার মানসিকতা না থাকে তাহলে কোন দিনই সফল হতে পারবেন না। পরিশ্রম করলে সবই সম্ভব। আমি ওইটা পারি না, সেইটা বুঝি না, এই সমস্যা, সেই সমস্যা এই গুলা সব ফালতু বিষয়, এই গুলা যতদিন বাদ দিতে না পারবেন ততদিন কিচ্ছু হবে না। কেউই সব কিছু পেরে দুনিয়াতে আসে না, বিল গেটস তার মায়ের পেটে বসে সফটওয়্যার বানানো শেখে নাই, তাকে পরিশ্রম করেই শিখতে হয়েছে, এবং তিনি পেরেছেন বলেই আজ বিশ্বের সেরা ধনী। অনেকেই তো বলে থাকে সৎ পথে ধনী হওয়া যায় না, কিন্তু তাহলে বিল গেটস তো সঠিক পথেই পৃথিবীর সেরা ধনী হলেন কিভাবে? তিনি আর কারো টাকা চুরি করেন নাই, এটা সম্ভব হয়েছে তার পরিশ্রম এর জন্য। আর তাই আপনিও যদি কিছু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকেও পরিশ্রম করতে হবে। এর বিকল্প কিছুই নেই। যদি কমপক্ষে ৬ মাস নিজেকে পরিশ্রম করানোর মত সাহস এবং সংযম করতে পারেন তাহলেই সফল হতে পারবেন অথবা, দুনিয়া এগিয়ে যাবে কিন্তু আপনি পেছনেই পড়ে থাকবেন আর শুধু ভাববেন অমুক ভাই ফ্রীল্যান্সিং করে মাসে ৫ লাখ টাকা আয় করে কিন্তু আমি পারিনা। এই ভাবনার শেষ কোনদিনই হবে না। টাকার জন্য না শিখে জ্ঞানের জন্য শিখুন, শেখার সময় টাকার কথা ভুলে যান, ৬ মাস পর দেখবেন টাকা আপনার পেছনে দৌড়াবে। শুধু এটা বিশ্বাস করুন- “আমি পারব এবং অবশ্যই পারব”, আমরাও চাই যেন আমরা পারি, পারতেই হবে, লাল সবুজের দেশ বেকারমুক্ত, কম্পিউটার স্বাক্ষর হবেই হবে ইনশাআল্লাহ। চলুন তাহলে আজ থেকেই শুরু করা যাক ? . . .

এক নজরে দেখে নিন গুগল ইউটিউব এর কিছু তথ্য.......!

আমারা সকলেই গুগল এবং ইউটিউব ব্যবহার করি কিন্তু কেউ কি খেয়াল করেছেন,, গুগল এবং ইউটিউব এর মধ্যে অনেক মজার কিছু আছে। আবার হয়ত বা অনেকেই জানেন কিন্তু যারা জানেন না তাদের জন্য আমার এই লেখাটি। আমি আপনাদের জন্য একটি ভিডিও বানিয়েছি ভিডিও দেখেন অনেক মজা পাবেন। কিভাবে এনিম্যাশন, ফ্রন্ট কালার, স্টাইল গুগল এবং ইউটিউব ড্যান্স  ইত্যাদি করতে হয় তা দেখবেন।
ভিডিও টি দেখতে ইমেজটিতে ক্লিক করেন
http://techearnbd.blogspot.com/ 

খুব সহজে কপিরাইট ভিডিও আপনার চ্যানেল এ ব্যবহার করতে পারবেন কোন কপিরাইট নোটিস ছাড়া।

অনন্যার ভিডিও কিভবে নিজের চ্যানেল এ ব্যবহার করবেন তা নিয়ে একটি চেইন টিউন করতে যাচ্ছিলাম। অনেকেই আমাকে ফেসবুক অথবা আমার ফেসবুক গ্রুপ এ বলেছেন শুরু  থেকে না দেখিয়ে আপনাদের আসল কাজ টুকু দেখাই। এ কথা শুনে আমার টিউন লিখার মজা হারিয়ে গেছে।তাই আজ লিখছি অনেক কস্টে। কস্ট এই ভেবে যে মানুষ এখন আর কস্ট করে বড় হতে চাইনা তারা খুব তারাতারি সব কিছু করতে চাই।
আজকের এই টিউন এ আমি আপনাদের শেখাবো কিভাবে আপনি অনন্যার ভিডিও কপি করবেন তাও আবার যে ভিডিও গুলো ১ দিন এ লাখ লাখ কুটি কুটি ভিউ আশে। যেহেতু এক টিউন এ সবাই শেষ করতে বলেছেন তাই আমি একটি ভিডিও একটু বড় করে করেছি। ভয় পাবেন না আপনাদের কথা মত আমি ভিডিও টি ছোট করেছি।

আশুন আমরা যানি এক ভিডিও তে কি কি আছে 

Camtasia এর ব্যবহার যা দিয়ে আমরা ভিডিও এডিটিং শিখবো। 

Sounder Recorder এর ব্যবহার যা দিয়ে ভালো মানের Voice record কিভাবে করা যায় তা শিখবো। 

illustrator এর ব্যবহার যা দিয়ে আমাদের ভিডিও এর জন্য হালকা Graphics এর কাজ করবো। 

কিভাবে আপলোড করলে আমাদের ভিডিও কপিরাইট বলে গ্রহন করবে না ইউটুব। 

কি ট্যাগ দিলে খুব তারাতারি ভিউ বারবে। 

কিভাবে আপলোড করলে যদি কপিরাইট দরা পরে তাহলে চ্যানেল এ কিছু হবে না বরং হওয়ার আগেই আপনি ভিডিও টি রিমুব করতে পারবেন। 

কিভাবে অনন্যার ভিডিও এর ট্যাগ বের করবেন। 

কিভাবে ইউটুব এ বসে thumbanaile Make করবেন।